ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না পশুর হাটে

0
73
হাসিবুল ইসলাম হাসিব, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও   জেলার   গবাদি পশুর হাটে সরকারি নির্দেশনা ও সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনকে অম্যান্য করে প্রশাসনের নাকের ডোগায় দিয়েই চলছে গবাদিপশুর হাট। কেউ মানছে না সামাজিক দূরুত্ব। হাটে আসা অধিকাংশ লোকের মুখে নেই কোন মাস্ক। এমনকি হাট ইজাদার কর্তৃক বিভিন্ন কাজে নিয়োগকৃত ব্যক্তিরাও মানছে না সামাজিক দূরুত্ব ও মাস্ক পড়ছে ও পরছে না।
এমনই দৃশ্য দেখাযায় জেলার পশুরহাট গুলোতে। লাহিড়ী, খোচাবাড়ি ও গড়েয়া হাটে  সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতা তাদের গবাদিপশুসহ বিভিন্ন পণ্যা সামগ্রী বেচা-কেনার জন্য আসে। তারা কোন প্রকার সরকারি নির্দেশনা বা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গাদাগাদি করেই গবাদিপশুসহ বিভিন্ন পণ্যা সামগ্রী বেচা-কেনা করতে থাকে হাটের মধ্যে। সেই সাথে অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে নেই মাস্ক। কারো মাস্ক থাকলেও নেই তার সঠিক ব্যবহার।
 দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতা তাদের গবাদিপশু সহ বিভিন্ন পণ্যা সামগ্রী সরকারি নির্দেশনা ও সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বেচা-কেনা করতে দেখা গেছে। তবুও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন রয়েছে নীরব।
আর সচেতনমহল মনে করছে প্রশাসনের এমন নীরবতার কারণেই জেলায়  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে ।
এ পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত ঠাকুরগাঁও জেলায় সর্বমোট করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩৩৫ জন,যাদের মধ্যে ২২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং মৃত্যু ৬ জন। সরকারি নির্দেশাবলী ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। এমটাই জানায় ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন।
খোচাবাড়ি  হাটে  নাজমুল ইসলাম সুমন নামের এক ক্রেতা জানান, দুপুরের দিকে এসেছি একটি কোরবানির গরু কিনবো বলে। কিন্তু এখানে এসে দেখি হাজার হাজার লোকের সমাগম। সেই সাথে এখানে নেই কোন সামাজিক দূরত্ব, অধিকাংশ লোকরে মুখে নেই কোন মাস্ক। একদম গাদাগাদি করেই চলছে গবাদিপশু বেচা-কেনা। তাই  গরু না কিনেই অবশেষে বাড়ি ফিরে আসি। যদি এভাবে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে হাট-বাজারগুলো চলতে থাকে তাহলে আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা বিরাট স্বাস্থ্যঝুকিঁতে পরবে।  অপর দিকে, নুর আলম সিদ্দিক নামের আরেক ক্রেতা জানান, হাটের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলায় করোনা বলতে কিছু নেই। আমি মাস্ক পড়ে থাকলেও হাটের বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক তো দূরের কথা কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা। আমার মতে এভাবে যদি এই হাট চলে তাহলে আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রচুর হারে বেড়ে যাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
এদিকে হাট ইজারাদারদের  কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন, আমরা হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাগণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করতে এবং গবাদিপশুসহ পণ্য বেচা-কেনার কথা বলছি কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ মানুষ মানছে না।
অপরদিকে হাটে আসা প্রশাসনের  কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই বলবো না, বিষয়টি আপনি ডিসি স্যারকে বলেন। আর মানুষ সচেতন না হলে কতক্ষণ  দেখবে প্রশাসন । আমাদের যতোটুকু করার আমরা তা চেষ্টা করতেছি।
watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here