‘করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দেয়া হাসপাতালগুলোকে সরকারই স্বীকৃতি দিয়েছিল’

0
49

করোনা মহামারির এই অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দেয়া হাসপাতালগুলোকে সরকারই স্বীকৃতি দিয়েছিল। এখন সনদ জালিয়াতিতে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সংশ্লিষ্টরা একে অপরের ওপর দোষারোপ করছে। কেউ দায় নিচ্ছে না। যারা জালিয়াতির মাধ্যমে ভোট করে ক্ষমতায় থাকে তারা করোনার সনদ জালিয়াতির সার্টিফিকেট দেবে, মানুষের জীবন বাঁচানোর কোনও উদ্যোগ নেবে না- এটাই তো স্বাভাবিক। বিএনপির সম্পর্ক এদেশের মাটি ও মানুষের সাথে, তাই ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না।

রবিবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২০ উপলক্ষে খিলগাঁওয়ে বালু নদীর মোহনায় উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণের পর তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

রিজভী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য যে কাজগুলো দরকার সেগুলো করেছেন। বর্ষা ও শুকনো মৌসুমে যেনে খালে-বিলে পানি থাকে এবং সেগুলোতে যেন মৎস্য চাষ করা যায় এজন্য কিলোমিটারের পর কিলোমিটার খাল খনন করেছেন। নিজে কোদাল ধরেছেন। এভাবেই জিয়াউর রহমান দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন। এজন্য আমরা এক মুঠো হলেও ডালে মাছে ভাতে এখন খেয়ে বাঁচতে পারছি। জিয়াউর রহমান যা রেখে গেছেন, দিয়ে গেছেন তার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ এগিয়েছে। আজকে যারা সরকারে আছে তারা রাতের বেলা ভোট করে, তারা মানুষের স্বাস্থ্যের নামে হাসপাতালে ভুয়া সার্টিফিকেট বিতরণ করে, জালিয়াত সার্টিফিকেট বিতরণ করে। এখন এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই দেশ চলছে।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, এই করোনার সময়ে সরকারের ত্রাণ যেগুলো জনগণের টাকায় কেনা সেগুলো পাওয়া গেছে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ঘরের ভেতরে, খাটের নিচে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, মন্ত্রী-এমপিরা যারা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, মানুষের পক্ষে না দাঁড়িয়ে ত্রাণের মালামাল আত্মসাতের জন্য সুযোগ গ্রহণ করেছে। নিজেদের পকেট ভারি করেছে।যারা গত ১২ বছর ধরে ব্যাংকগুলো লুট করেছে, দেশকে লুট করেছে, কানাডায় বেগম পল্লী বানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম বানিয়েছে, তাদের কাছে জনগণের জন্য কোনও কিছু প্রত্যাশা করা যায় না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাব, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম মিয়া, জাকির হোসেন খান, ওমর ফারুক পাটোয়ারী, হাবিবুল হক হাবিব, কবির উদ্দিন মাস্টার, জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইফতেখায়রুজ্জামান শিমুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোর্শেদ আলম, মৎস্যজীবী দলের সদস্য আমির হোসেন, হেমায়েত উদ্দিন হিমু, শাহিন উদ্দিন স্বপন চৌধুরী, তানভীর, রজব আলী, সুমন মুন্সি, কে এম সোহেল, লিয়াকত, স্বপন, তবারক ফজলে কবির সোহেল ও বাকি বিল্লাহ প্রমুখ।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here