বরিশালে আ.লীগ নেতার আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

0
19

নিজ কার্যালয়ের বিশেষ কক্ষে নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। ওই ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার বরিশালেও একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

তবে এটি কোন সরকারি কর্মকর্তা বা আমলার নয়। এটি এক নারীর সঙ্গে একজন জনপ্রতিনিধি’র অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও। তিনি হলেন বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চল মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম ভুলু’র ভিডিও।

তবে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি সাবেক স্ত্রী’র বলে দাবি করেছেন ভাইস চেয়ারম্যান ভুলু। গত তিন বছর পূর্বে তালাক হওয়া সাবেক স্ত্রী’র পারিবারিক ওই ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাওয়া ওই ভিডিতে দেখা যায়, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলু এক তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তে রয়েছে। যা কোন একটি মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলু অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও’র বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটি তিন বছরের আগের ঘটনা।

পরকীয়া করে খালেদা নামের ওই নারীকে বিয়ে করেছিলাম। পরে জানতে পারি মেয়েটি ভালো না। তাই তাকে তালাক দেয়ার কথা বলি। ঠিক সেই মুহুর্তে ওই ভিডিওটি প্রথমবার কোন একটি পক্ষ প্রকাশ করে। তবে সেটা সে সময় স্থানীয় থানা পুলিশের মাধ্যমে মিমাংসা করে ওই নারীকে তালাক দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সামনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে আমি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। এজন্য তখনকার সময় প্রকাশ হওয়া ওই ভিডিওটি এখন নতুন করে প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের সাথে কথা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, মেহেন্দিগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, আমি এই থানায় নতুন এসেছি। তিন বছর আগে এমন কিছু ঘটে থাকলে সেটা আমার জানা নেই। তাছাড়া সম্প্রতি সময়ে এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও সে বিষয়টি আমার জানা নেই। এমনকি ভাইস চেয়ারম্যানও বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, এটি তার পারিবারিক বিষয় হতে পারে। আমার জানা নেই। আর আগ্রহ করে জানার চেষ্টাও করিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here