বিগত ৩ বছরে বিদ্যুৎ বিভাগের ২ হাজার ৯৬১ কর্মকর্তার বিদেশ সফর!

0
57

বিদ্যুৎ বিভাগের চলমান প্রকল্প হতে বিগত তিন বছরে প্রায় তিন হাজার কর্মকর্তার বিদেশ সফর নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা অর্জনের নামে প্রকল্পের টাকায় ২ হাজার ৯৬১ জন সরকারি কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। এসময় বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বৈঠকে জানান, এখানে কেউ প্রমোদ ভ্রমণে যায়নি। বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের অভিজ্ঞতার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই এসব সফর করেছেন।

সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অষ্টম বৈঠক এসব তথ্য পর্যালোচনা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, মো. আবু জাহির, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, মোছা. খালেদা খানম ও বেগম নার্গিস রহমান অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে বিদ্যুতের সিস্টেম লসের একটি স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করার সুপারিশ করে কমিটি। পাশাপাশি সিস্টেম লসের পরিমাণ সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ ও চুরিরোধে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করে কমিটি।

এসময় কমিটির প্রশ্নের জবাবো জানানো হয়, দেশের যে সকল অবিদ্যুতায়িত পকেটসমূহে গ্রিড বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, এমন ১ হাজার ৬৯ টি অফগ্রিড গ্রাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৬২০টি গ্রামে জুন, ২০২০ সালের মধ্যে গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া গ্রামাঞ্চল এবং অফগ্রিড এলাকায় সোলার বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য ২১টি সোলার মিনিগ্রিড, ১ হাজার ৩৭৪টি সোলার ইরিগেশন পাম্প এবং ৫.৮ মিলিয়ন সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। নতুন আরো ৬টি সোলার মিনিগ্রিড এবং ২৩২টি সোলার ইরিগেশন পাম্প স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here