ইয়াবার বিকল্প হিসেবে ব্যথানাশক ট্যাবলেট!

0
97

দিনাজপুরে ইয়াবার বিকল্প হিসেবে ব্যথানাশক ট্যাবলেটে আসক্তি বাড়ছে মাদকসেবীদের। নগরীর প্রায় সব দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অবাধে বিক্রি হচ্ছে এসব ওষুধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যথানাশক এ সব ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ইয়াবার চেয়েও মারাত্মক। তাই এর ব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

দিনাজপুর জেলাজুড়ে মাদক সেবনের এমন দৃশ্য হরহামেশাই চোখে পড়ে। দামে কম হওয়ায়; ইয়াবার বদলে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে, টাপেন্টা, সিলটা, পেন্টাডল-সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ট্যাবলেট।

মুড়ি-মুরকির মতো প্রতিদিনই ওষুধের দোকান থেকে এ সব ট্যাবলেট সংগ্রহ করেন মাদকসেবীরা। ট্যাবলেট কেনার সময় চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরায় ধরাও পড়েন দুই যুবক।

যদিও গত ১৬ জানুয়ারি জেলা সদরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সিলগালা করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দোকান।

বিক্রেতারা বলছেন, আসলে এটি ব্যথানাশক ওষুধ, এখন ওরা কিভাবে এতা খায় সেটা আমরা জানিনা।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান রুপমের মতে, ব্যথানাশক এ সব ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ইয়াবার চেয়েও মারাত্মক।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজিউর রহমান বলেন, কিছু কিছু ওষুধের দোকান বন্ধ হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো আগামী কিছুদিনের মধ্যে এমন সকল দোকানে যেন বিক্রিগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক এসএম সুলতানুল আরেফিন বলেন, বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, ওষুধ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সম্মিলিত ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

তবে মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও দরকার বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here