৯৯ কোটি টাকার প্রকল্প এখন ২৫৯ কোটি টাকা!

0
45
২০১৩ সালে সরকারি অর্থায়নে ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। প্রকল্পের আওতায় চার লেনের সড়ক, ডিভাইডার, লাইট ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় ১ম দফায় প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করা হয় ১২৬ কোটি টাকায়। সাত বছর পর একই প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় আড়াই গুণ বৃদ্ধি করে ২৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকার নতুন প্রস্তাবনা দিয়েছে কেডিএ। বর্তমানে তা পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। জানা যায়, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা, ডিসিআর’র জমি (বন্দোবস্ত) ও অবৈধ দখলের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ কয়েক দফা বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দীর্ঘদিনে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারি সড়কের অধিগ্রহণকৃত জমি নিয়ে কেডিএ ও খুলনা শিপইয়ার্ড কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়হীনতার কারণে চার লেনের সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটির মেয়াদ ও ব্যয় বেড়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপক (এডমিন) গোলাম ছরোয়ার বলেন, সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে শিপইয়ার্ডের কিছু জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা আইনগতভাবে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছি। তারপরও বিনা নোটিসে শিপইয়ার্ডের সীমানা প্রাচীর ভাঙতে এলে বাধা দেওয়া হয়। এদিকে প্রকল্প কর্মকর্তা ও কেডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) আরমান হোসেন বলেন, জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বাবদ শুরুতেই ৯ কোটি টাকা জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময়ক্ষেপণ হওয়ায় ওই জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ বর্তমানে তিনগুণ হারে দিতে হচ্ছে।
এতে প্রকল্পের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। বর্তমানে প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকার নতুন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, সরকার উন্নয়ন কাজে সরকারি কোনো জমি অধিগ্রহণ করলে পূর্বের ক্রয়কৃত মূল্যেই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কিন্তু শিপইয়ার্ড বর্তমান দর অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here