তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তিন রকম রিপোর্ট

0
70

চুয়াডাঙ্গা জীবননগর শহরের আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক রোগীর তিন রকম রিপোর্ট দিয়েছে। রোগী ভুগছে সিদ্ধান্তহীনতায়।

ভুক্তভোগী রোগী জাহির শেখ বলেন, গত ১২ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে ডাক্তার রাসেদ আমাকে দুইটি প্রস্রাবের পরীক্ষা দেন। হাসপাতাল রোডে ডাক্তারের আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রসাব পরীক্ষা করে রিপোর্টে (এপিথেলিয়াল সেলস ৫-৭ এইচ পি এফ এবং পাস সেলস ৮-১০ এইচ পি এফ ধরা পড়লে তিনি আমাকে এক সপ্তাহের ওষুধ দিয়ে এক সপ্তাহ পরে আবার দেখা করতে বলেন।

শনিবার দুপুরে দেখা করলে তিনি আবার একই পরীক্ষা দেয়।  পরীক্ষা করলে রিপোর্ট এপিথেলিয়াল সেলস ১৮-২০ এইচ পি এফ এবং  পাস সেলস ৮-১০ এইচ পি এফ  আসলে আমার সন্দেহ হয় রিপোর্ট ভুল বলে। তখনই মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাই সেখানে এপিথেলিয়াল সেলস ১-২ এইচ পি এফ এবং পাস সেলস ০-২ এইচ পি এফ আসলে আবার অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাই সেখানে এপিথেলিয়াল সেলস ৪-৬ এইচ পি এফ আর পাস সেলস ৫-৭ এইচ পি এফ রিপোর্ট আসে।

এখন কোনো রিপোর্টটা সঠিক ধরব ভেবে পাচ্ছিনা তবে জীবননগর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট গুলো দেখালে তিনি বলেন । আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ভুল হয়েছে। আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডাক্তার রাসেদ বলেন, এটা টেকনিশিয়ান ফয়সালের ভুলের কারণে রিপোর্টটি ভুল হয়েছে। তবে এমন ভুল মোটেও কাম্য নয় ক্ষমা করবেন।

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জুলিয়েট পারউইন বলেন,তিনটি ডাগাগনস্টিক সেন্টারের মধো যে দুটির রিপোর্ট কাছাকা‌ছি সেগুলো সঠিক ধরে নেয়া যায়। তবে আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে রিপোর্ট আসছে সেটা সঠিক হলে রোগী প্রসাবের যন্ত্রণায় এতক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হতো। তবে জীবননগরের বাইরে অন্য কোথাও আর একবার পরীক্ষা করলে বিষয়টি বুঝা যাবে।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here