কুষ্টিয়ায় অফিসে বসেই দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগ

0
109

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে মিটার রিডাররা বাড়ীতে গিয়ে বিল না লিখে অফিসে বসে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় হাজার হাজার গ্রাহকের এমন অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ বিল আসায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

কুমারখালী উপজেলার এলাকার মিজানুর রহমান জানান, আমার মার্চ মাসের বিল এসেছে ৪০১ টাকা কিন্তু এপ্রিল মাসে বাড়িতে না এসে ৭৪৫ টাকা।

এমন অভিযোগ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দাদাপুর সড়কের প্রফেসর ড. আনারুল করিমের। তার বাসায় মার্চ মাসে এসেছিল ১৩৮৯ টাকা কিন্তু এপ্রিল মাসে তা এসেছে ৩০৪৫ টাকা। তিনি বলেন গত মাসের থেকে বেশি দিলে সেটা আমার বোধগম্য নয়।

নুর মোহাম্মদ নামের মিরপুর উপজেলার মশান এলাকার এক গ্রাহক জানান, মার্চ মাসে ৩১২ টাকা বিল হয়েছে এরপর ৫৭৪ টাকা। আমি গরিব মানুষ এত টাকা আমি কিভাবে দেবো।

বজলুর রহমান নামের এক গ্রাহক জানান বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করার যে কথা রয়েছে সেটি বারাখাদা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে ঠিক করতে হয়। এজন্য সারা দিন কেটে যায় ভিড়ের কারণে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা লাগে। এসব অনিয়ম ছাড়া আর কিছুই নয়।

গ্রাহকদের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই জানিয়ে আব্দুল মজিদ নামের আরও একজন জানান, অফিসে বসে এসব বিল নিরূপণ করে মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসে এমন অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ বিল সংযুক্ত করেছে। তিনি বলেন, করোনার কারণে যদি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ বিল লিখতে না পারে মিটার রিডাররা। তাহলে বাড়ি বাড়ী পৌঁছে দিচ্ছে এসব বিদ্যুৎ বিলের কপি পৌঁছে দিচ্ছে কিভাবে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা।

আনারুল ইসলাম নামের এক ভ্যানচালক বলেন, মার্চ মাসে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল ব্যবহার করেছি তার থেকে বরং কম পরিমাণ বিদ্যুৎ এপ্রিল মাসে ব্যবহার করেছি তবুও দ্বিগুণের বেশি বিল আসায় আমার সংসারে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। আমি এর দ্রুত সমাধান চাই।

এদিকে করোনা দুর্যোগের কারণে আগামী জুন মাস পর্যন্ত কোন বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হবে না বলে জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। তাই বিদ্যুৎ বিলের কপি পিছনে লেখা আছে “সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক করা হলো কমবেশি হলে সমন্বয় করা হবে”। তবুও গ্রাহকরা চাপের কারণে অতিরিক্ত বিল দিতে বাধ্য হচ্ছে।

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সোহরাব আলী বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গড় বিল করা হয়েছে। এতে দু-চারজনের একটু বেশি বিল হয়েছে। সেটা ঠিক করা হচ্ছে। তাছাড়া বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে গড় বিল হিসেবে করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘গড় বিল করা হলো’ এমন তথ্য বিলের কপির সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here