ঠাকুরগাঁওয়ে অতিবৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

0
62

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ঠাকুরগাঁওয়ের আশপাশের মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। শুক্রবার ছুটির দিনে সকাল ও দুপুরে গ্রামেগঞ্জে এমনকি শহরের পথে ঘাটে মানুষের জনসমাগম ছিল খুবই কম।

এদিকে শহরে ডুবে গেছে বড়মাঠের সবজি বাজার, পথ ঘাট, নিম্ন এলাকার বাড়িঘর, ট্রেজারী অফিসে যাওয়ার জনবহুল সড়কসহ অন্যান্য সড়ক। এছাড়া দিন-মজুররা কাজে যেতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। ভারী বর্ষণের ফলে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এছাড়া বৃষ্টিতে অধিকাংশ কাঁচা-পাকা সড়ক ভেঙ্গে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের অসংখ্য স্থানের ঢালাই উঠে গিয়ে গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় তা যেন মরণ ফাঁদে পরিণত পরিণত হয়েছে। এসব গর্তের কারণে এরইমাঝে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং অসংখ্য মোটরযানের যান্ত্রিক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আফতাব হোসেন জানান, গত তিন দিনে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে সবজি, নিচু এলাকার ধানক্ষেত ডুবে গেছে, মাটিতে শুয়ে পড়েছে আখ ক্ষেত। এতে কৃষকের ক্ষতি ছাড়াও জেলার একমাত্র ভারী শিল্প ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের উৎপাদন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড.কেএম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, নদীর তলদেশের কয়েকটি অঞ্চল জলাবদ্ধ হয়েছে। বাসিন্দাদের উদ্ধার করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বন্যার কবলে পড়া পরিবারের তালিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এসব পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখ টাকা ইউএনওদের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here