পৃথিবীর সবচেয়ে ‘ক্ষুদ্র দেশে’র গল্প

0
51

‘ই-মেইলে তো খুব বেশি বলা সম্ভব নয়’– এভাবেই বলছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র ‘দেশ’ সিল্যান্ডের রাজপরিবারের যুবরাজ মাইকেল বেটস। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম সিল্যান্ডের বিস্তর গল্প। যুবরাজের জন্য এটা অতিসংক্ষেপে বলা সত্যিই খুব কঠিন! কারণ ‘দেশ’টি যে তার বাবার প্রতিষ্ঠা করা। তবুও একান্ত আলাপে সিল্যান্ড সম্পর্কে  অনেক কথাই জানালেন তিনি। তার মূল লক্ষ্য, ছোট-ছোট দ্বীপ গড়ার মাধ্যমে সমুদ্রের ওপর দু’পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভূমিহীন সিল্যান্ডকে আরও বড় পরিসর এবং পরিচয় দেওয়া।

সমুদ্রের মাঝখানে ইস্পাত ও কনক্রিটে নির্মিত রাফস টাওয়ার দুর্গকেই একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্ম দিয়েছিলেন মাইকেলের পিতা রয় বেটস। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর। ১৯৬৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্ত্রী জোয়ানের জন্মদিনে প্রিন্সিপ্যালিটি অব সিল্যান্ডের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন রয় বেটস। ইংল্যান্ডের সাউথেন্ডে উত্তর সাগরের পূর্ব উপকূল থেকে সাত নটিক্যাল মাইল দূরে পরিত্যক্ত রাফস টাওয়ার। সমুদ্রের মাঝে থাকা দুর্গটিকে স্বাধীন ‘দেশ’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার ৫৩ বছর পেরিয়েছে এই সেপ্টেম্বরে, ২৪ দিন আগে।

সিল্যান্ডে কেবল জলপথ দিয়ে প্রবেশ করা যায়। রাফস টাওয়ারের কাছে পৌঁছানোর পর ক্রেনের সহায়তায় এই পৃথিবীর একমাত্র ভূমিহীন ‘দেশটি’তে পা রাখা যায়। দুটি পিলারের ওপর স্থাপিত ‘দেশ’টির রাজধানী খোদ টাওয়ারটিই; অর্থাৎ এইচএম ফোর্ট রাফস। আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক কোনও স্বীকৃতি না থাকলেও পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র ‘দেশ’ সিল্যান্ডের এখন অনেক কিছুই আছে। যেমন– নিজস্ব সংবিধান, পতাকা, অর্থনীতি, ফুটবল দল, পাসপোর্ট, স্ট্যাম্প ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। পরিসর ও স্থানগত কারণে সিল্যান্ডকে কেন্দ্র করে ইংল্যান্ডসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে অনেক কৌতূহল ছড়িয়েছে।

এভাবেই উঠতে হয় সিল্যান্ডেদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মান হামলা থেকে পূর্ব উপকূল রক্ষায় ১৯৪২ সালে উত্তর সাগরে কয়েকটি দুর্গ (ব্রিটিশ অ্যান্টি এয়ারক্রাফট গান টাওয়ার) গড়ে তোলে ব্রিটিশ সরকার। বিখ্যাত ব্রিটিশ প্রকৌশলী গাই মনসেল দুর্গগুলো নির্মাণ করেন। এগুলো ‘মনসেল দুর্গ’ হিসেবে পরিচিতি পায়। যুদ্ধের পর দুর্গটি পরিত্যক্ত হয়।

ইংল্যান্ডের ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক বছর ধরে দুর্গটি ফাঁকা ও অযত্নে পড়ে ছিল। মাঝে মধ্যে শঙ্খচিলদের বিশ্রামের স্থান হিসেবে কাজে লাগছিল এটি!

রয় বেটস ও প্রিন্সেস জোয়ান১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালিতে আহত হন যুবরাজ মাইকেলের বাবা রয় বেটস। এরপর এসেক্সের সাউথেন্ডে সাগরের কাছাকাছি নিজের বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করছিলেন তিনি। একটি নৌকা কিনে সমুদ্রে মাছ ধরা, কসাইখানা ও এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করার চেষ্টা চালান রয়। কিন্তু অভিযানপিপাসু মনের তৃপ্তি মেটাতে পারছিলেন না। চীনা বংশোদ্ভুত স্ত্রী জোয়ানকে (মাইকেলের মা) বুঝিয়ে এসেক্স থেকে নৌকা নিয়ে সাগরে জলপথ ভ্রমণে বের হন রয়। তখন তিনি নৌবাহিনীর মনসেলের দুর্গগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হন। এগুলোর মধ্যে ‘নক জন’ নামের একটি দুর্গ জলদস্যুদের রেডিও স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। রয় তখন নিজের একটি স্টেশন প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন। সাউথেন্ডের কয়েকজন পেশীজীবীর সহযোগিতায় ‘নক জন’ দখল করে রেডিও সিটিকে উৎখাত করেন রয়। ১৯৬৫ সালের ২৭ অক্টোবর তার প্রতিষ্ঠিত ‘রেডিও এসেক্স’-এর সম্প্রচারে আসে।

ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকার প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ধীরে ধীরে রয়ের রেডিওর শ্রোতা সংখ্যা বাড়তে থাকলে বিজ্ঞাপনদাতাদের আনাগোনা শুরু হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নজরে এলে অবৈধ সম্প্রচারের জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় আদালতে। পরবর্তী বছরগুলোতে ইংল্যান্ড সরকারের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের আদালত চূড়ান্ত রায়ে বলেছিল, ‘নক জন’ যুক্তরাজ্যের এখতিয়ারে পড়েছে।

.

স্বাধীন দেশ হিসেবে সিল্যান্ডের পতাকা উত্তোলনকিন্তু রয় বেটস থেমে যাননি, ১৯৬৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর বড়দিনের আগের দিন সমুদ্রের আরেকটু ভেতরে রাফস টাওয়ার দুর্গটি দখল করে বসেন। সেখান থেকে রেডিও ক্যারোলাইনের অবৈধ সম্প্রচার চলছিল। তিনি এটি উচ্ছেদ করেন। পরে রয় নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ ও ‘ল অব ন্যাশন্স’-এর আওতায় ১৯৬৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সিল্যান্ডকে স্বাধীন দেশ হিসেবে দাবি করে লাল-সাদা-কালো পতাকা উত্তোলন করেন। ঘোষণাকালে তার স্ত্রী জোয়ান, ছেলে মাইকেল (১৪) ও মেয়ে পেনেলোপ (১৬) ও বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। ব্রিটিশ সেনাবাহিনী মনসেল দুর্গগুলোকে ধ্বংস করে দিলেও রাফস টাওয়ারের অবস্থান আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকায় কড়াকড়ি আরোপ করেনি ইংল্যান্ড। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাফস টাওয়ার দুর্গটি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিলেও রয় বেটস পরিবার অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হয়ে অনড় অবস্থান দেখায়।

সিল্যান্ড কর্তৃপক্ষের দাবি, টাওয়ারটি আন্তর্জাতিক জলসীমার আওতায় ছিল। ইংল্যান্ডের নাগরিক হওয়ায় রয় ও মাইকেলের বিরুদ্ধে ১৯৬৮ সালের ২৫ নভেম্বর এসেক্সের একটি আদালতে অস্ত্র আইনে মামলা হয়। বিচারক রায়ে বলেছিলেন, রাফস টাওয়ার দুর্গটি নিয়ে আদালতের কোনও এখতিয়ার নেই। সিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই রায়ই তাদের ক্ষুদ্রতর দেশটির প্রথম কার্যত (ডি-ফ্যাক্টো) স্বীকৃতি।

যুবরাজ মাইকেল বেটস  বলেন, ‘কার্যত যুক্তরাজ্য ও জার্মানির স্বীকৃতি রয়েছে আমাদের। জার্মানি ১৯৭৮ সালে আলোচনার জন্য রাষ্ট্রদূত পাঠিয়েছিল।’

মনসেল দুর্গ ও বাবার সঙ্গে মাইকেল বেটসবিজনেস ইনসাইডার পত্রিকার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক জলসীমা নয় মাইল প্রসারিত করার পর সিল্যান্ডের আওতায় পড়ে। যদিও যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে গুরুতর চ্যালেঞ্জ পায়নি সিল্যান্ড।

এক্সপ্রেস পত্রিকার ভাষ্য, ষাট ও সত্তর দশকের শেষ দিকে সিল্যান্ডের ডাকটিকিট, পাসপোর্ট ও মুদ্রা আসার পর অনুসন্ধিৎসু মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কয়েকজন জার্মানের সঙ্গে ব্যবসা করার পরিকল্পনা ছিল রয়ের। জার্মানরা একটি ক্যাসিনো, হেলিপোর্ট ও শুল্কমুক্ত দোকান চালু করতে চেয়েছিল। কিন্তু যখন রয় ও জোয়ান অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গ শহরে এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে নেওয়ার সময় জার্মানরা কয়েকজন ডাচের সঙ্গে মিলিত হয়ে আকস্মিক অভ্যুত্থান করে বসে। সিল্যান্ড থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় রয়ের ছেলে মাইকেলকে। পরে মাইকেল তার বাবা ও বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত প্রতিরোধের মাধ্যমে সিল্যান্ডকে আবারও মুক্ত করেন।
৯১ বছর বয়সে ২০১২ সালে শান্তিপূর্ণ মৃত্যু হয় মাইকেলের বাবা প্রিন্স রয় বেটসের। ২০১৬ সালে মা জোয়ানের মৃত্যুর পর থেকে সিল্যান্ড পরিচালনা করছেন প্রিন্স মাইকেল। তিনি বাংলা ট্রিবিউনের কাছে উল্লেখ করেন, সিল্যান্ডের শাসন ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। বর্তমানে রাজপরিবার শাসিত। দেশটিতে বিভিন্ন কাজসহ অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে সর্বনিম্ন ২ জনের মতো বাসিন্দা আছেন। তার কথায়, ‘সিল্যান্ডের বেশিরভাগ নাগরিকের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে।’

ফুটবল দলের সঙ্গে মাইকেল বেটসএকটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে   সঙ্গে কথা বলেন সিল্যান্ডের যুবরাজ মাইকেল বেটস। প্রায় দুটি টেনিস কোর্টের আকারের সমান, ১২০ ফুট দীর্ঘ ও ৬০ ফুটের ক্ষুদ্র ‘দেশটি’ নিয়ে তার অগাধ স্বপ্ন। ইতোমধ্যে তিনি গড়ে তুলেছেন ফুটবল দল।

মাইকেল জানান, তার ‘দেশে’ সুনির্দিষ্ট কোনও ধর্মবিশ্বাস নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের বহুমুখী চ্যাপেলটি প্রার্থনার কাজে সবার জন্য উন্মুক্ত।’

সিল্যান্ডের পতাকা ও জাতীয় লক্ষ্য‘সমুদ্র থেকে মুক্তি, স্বাধীনতা’ শীর্ষক জাতীয় লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুক্তরাজ্যের পূর্ব উপকূলে টেমস নদীর মোহনা অঞ্চলের সামান্য উত্তরে দাঁড়িয়ে আছে সিল্যান্ড। প্রিন্স মাইকেলের ভাষ্য, ‘অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য– দুর্গের আশেপাশে ছোট দ্বীপ গড়ে তোলা।’

সমুদ্রের মাঝখানে রাফস টাওয়ারে স্থাপিত প্রিন্সপ্যালিটি অব সিল্যান্ডের পতাকা চীনে নির্মিত আর তাদের মুদ্রা লন্ডনের। লবণাক্ত পানি শোধনের পর ব্যবহার করে থাকে সিল্যান্ডের অধিবাসীরা। রাজপরিবারের উত্তরাধিকারী মাইকেল বলছিলেন, ‘সূর্য ও বায়ু থেকে আমরা বিদ্যুৎ পাই, সাগর থেকে মাছ আহরণ করি ও সাগরের জল নোনামুক্ত করে পান করি। আর আমরা সারাবিশ্ব থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি করে থাকি।’

সিল্যান্ডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রান্নাঘরযুবরাজ মাইকেল বেটস সবসময় সিল্যান্ডে থাকেন না। ইংল্যান্ডের সাউথেন্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন তিনি।
সিল্যান্ডের অর্থনৈতিক খাত প্রসঙ্গে মাইকেলের বক্তব্য, ‘আমরা নির্দিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি সেবা বিক্রি করি। আমাদের একটি অনলাইন শপ রয়েছে, যেখান থেকে দেশকে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন উপাধি কেনা যায়।’

সিল্যান্ডের নাগরিকরাসিল্যান্ড ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ৯৯ দশমিক ৯৯ পাউন্ডে নাইট, ৪৯৯ পাউন্ডে ডিউকসহ বিভিন্ন মূল্যের বিনিময়ে উপাধি কেনা যায়। ক্ষুদ্র ‘দেশ’টি ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার বেন স্টোকসকে সম্মানজনক উপাধি দিয়েছে এবং একই সম্মাননা পেয়েছেন বিখ্যাত গায়ক এড শিরান। এছাড়া সিল্যান্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ‘দেশ’টির সংবিধান; কালো, সাদা ও লাল রঙের পতাকা, মাইকেল রচিত ‘হোল্ডিং দ্য ফোর্ট গ্রন্থ; ডাকটিকিট, টিশার্টসহ নানান জিনিস বিশ্বের যেকোনও প্রান্ত থেকে কেনা যায়।

প্রিন্স মাইকেল বেটসের দাবি– ‘সিল্যান্ডে খাবার, ওষুধ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা এবং আবাসন ব্যবস্থা ভালো। আমাদের সমর্থকরা আমাদের পতাকার নিচে খেলতে, দৌড়াতে ও কার্লিং করতে চায়।’

ম্যাপে সিল্যান্ডসমুদ্রের মাঝে অবস্থান হলেও সিল্যান্ড কখনও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়নি বলে জানান যুবরাজ মাইকেল। সারাবিশ্বের অধিকাংশ দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও সিল্যান্ডের কোনও নাগরিক এখনও রোগটিতে আক্রান্ত হয়নি। ‘করোনা মহামারির শুরু থেকে আমাদের এখানে কোনও পর্যটক আসেননি’– বলছিলেন মাইকেল।

ইংল্যান্ডের সঙ্গে সিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পর্ক মধুর ছিল না। তবে এখন তা পুরোপুরি ভিন্ন। সেই কথাটাই শোনা গেলো মাইকেলের মুখে, ‘প্রতিবেশী হিসেবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। ’

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র জাতিসম্পন্ন ‘দেশ’ হলেও প্রিন্স মাইকেল বলেন, ‘অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতি রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের খুব বেশি যোগাযোগ নেই।’

সন্তান ও নাতিদের সঙ্গে প্রিন্স মাইকেল বেটসইংল্যান্ডের সাফোক উপকূল থেকে ১২ কিলোমিটার দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকা সিল্যান্ড নিয়ে অনেকের আগ্রহ বাড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ক্ষুদ্রজাতির ‘দেশ’টিকে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। হলিউডে একটি সিনেমা নির্মাণের কথাও চলছে– বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপে জানালেন মাইকেল বেটস। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের আত্মজীবনী লিখেছি। সিল্যান্ড অনলাইন শপে তা পাওয়া যায়। একদিন হয়তো হলিউডে কোনও সিনেমা হবে। এ বিষয়ে আমরা অনেক প্রস্তাব পেয়েছি।’

দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে প্রিন্সিপ্যালিটি অব সিল্যান্ডের যুবরাজ মাইকেল বেটসের। ইতোমধ্যে চীন, জাপান, ব্রাজিল, থাইল্যান্ডসহ অসংখ্য দেশ ভ্রমণ করেছেন।  আলাপচারিতায় প্রিন্স মাইকেল বেটস জানিয়ে রাখলেন, ‘একদিন হয়তো বাংলাদেশে যাবো। ভ্রমণ আমার পছন্দ।’

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here