শোভযাত্রা ছাড়াই অশ্রুজলে ‘দুর্গতিনাশিনী’র বিদায়

0
62

বিজয়া দশমীর দিন হলেও শোভাযাত্রার সমারোহ নেই। ঢাকের বাদ্যে নীরব অশ্রুজলে বিদায় নিলেন ‘দুর্গতিনাশিনী’ দেবি। করোনা মহামারির মধ্যে শোভাযাত্রা ছাড়াই সোমবার (২৬ অক্টোবর) শেষ হলো প্রতিমা বিসর্জন।

ষষ্ঠী তিথিতে বেলতলায় ‘আনন্দময়ীর’ নিদ্রাভঙ্গের বন্দনার মধ্য দিয়ে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় পার্বণ শারদীয়া দুর্গাৎসবের সূচনা হয়েছিল। দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তা সাঙ্গ হলো।

দেবী দুর্গা ‘বাবার বাড়ি বেড়ানো’ শেষ করে এক বছরের জন্য ফিরে গেলেন ‘কৈলাসের শ্বশুরালয়ে। আর এর মধ্য দিয়েই শেষ হলো সমাপ্তি হল শারদীয় দুর্গোৎসবের।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটের বীণাস্মৃতি স্নানঘাটে বনানী জাকের পার্টির হিন্দু ফ্রন্ট পূজামণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হয়। আর এর মধ্য দিয়েই রাজধানীতে শুরু হয় দেবীকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা।

করোনার এ সময়ে ঢাকা মহানগরে দুইশর বেশি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মণ্ডবে পূজা আয়োজনের নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনা মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করায় অন্যান্য বারের মতো উৎসবের আমেজে ভাটা পড়ে।

তবে করোনা মহামারীর মধ্যে কড়াকাড়ি থাকলেও অন্যবছরের মতো এবারও প্রতিমা বিসর্জনের আগে কোনো কোনো মণ্ডপে আবির খেলায় মেতে উঠেছেন ভক্তরা।

প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়। পুলিশের পাশাপাশি নৌ-পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। বিআইডব্লিটিএ-এর ডুবুরি দল ছাড়াও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে প্রস্তুত রাখা হয় জরুরি প্রয়োজনে মাঠে নামার জন্য।

প্রতিমা ঘাটে নেয়ার পর শেষবারের মতো ধূপধুনো নিয়ে আরতি করেন ভক্তরা। শেষে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীকে নৌকায় তুলে বিসর্জন দেয়া হয়। বিসর্জন শেষে মন্দিরে শান্তির জল নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যায় মণ্ডপে করা হয় আশীর্বাদ।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত জানান, করোনা মহামারীর কারণে এ বছর যে শোভাযাত্রা হবে না, তা আগেই জানানো হয়েছিল।

watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here