“উইঘুর মহিলাদের বাচ্চা তৈরির মেশিন হতে হবে না”, চিনা সরকারের বিতর্কিত ট্যুইটে শোরগোল

0
82
চিনে ট্যুইটার, ফেসবুক সহ মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও চলতি মাসেই ওয়াশিংটন স্থিত চিনা দূতাবাসের একটি ট্যুইট ঘিরে চিনকে আক্রমণ করে নেটিজেনরা। ওই ট্যুইটে লেখা হয়, চিনা সরকার উইঘুর মহিলাদের বাচ্চা তৈর করার মেশিনে পরিণত হওয়া থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
এই কথার সহজ মানে করলে যা দাঁড়ায় তা অত্যন্ত আশঙ্কার, যে কথা আগেই বলতে চেষ্টা করছিলেন উইঘুর নিয়ে গবেষণা করা বহু মানবাধিকার কর্মীরা। তা হল কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে থাকা উইঘুর মহিলাদের জোর পূর্বক চিনের সরকার বন্ধ্যা করে দিচ্ছ। অথবা সংখ্যালঘু জনসংখ্যার বৃদ্ধি কমাতে তাদের জোর করে গর্ভপাত ঘটানো হচ্ছে।

চিনের তরফে ওই ট্যুইট বিবৃতির পরেই এই সম্ভাবনার কথাগুলি উঠে আসে। তাতে অস্বস্তিতে পরে চিনের সরকার সাফ জানিয়ে দেয় তারা জোর করে কিছুই কাউকে করতে বাধ্য করছেন না। কোন সংস্থা বা কোন ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই নিয়ম করা হয়নি। তাদের মতে হলে তারা এই পদ্ধতি গুলি অনপসরণ করতে পারে।

চিনা বিবৃতি দিয়ে সরকার যতই দায় ঝেড়ে পেলার চেষ্টা করুক না কেন তাতে মোটেই সন্তুষ্ট না চিনবিরোধীরা। কারণ দেশের গবেষকদের সমীক্ষা অনুযায়ী উইঘুর ক্যাম্পে জন্ম নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে তা অচিরেই চিনা জনগণের থেকে অনেকাংশে ছাপিযে যাবে। তাই তা নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সওযাল করেছিলেন গবেষকেরা।
তারপরেই না কী ওই ক্যাম্পের সংখ্যালঘু মুসলিম মহিলাদের লাইগেশন করিয়ে বা গর্ভপাত ঘটিয়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায় বের করেছিলেন চিনা শাসকেরা। জিনজিয়াংয়ের উইঘুর ও কাজাখ মহিলাদের উপরেই এই পরীক্ষা চালিয় তাদের বৃদ্ধিকে নিয়্ন্ত্রণ কারার এই কৌশলে নতুন করে বিতর্কে কমিউনিস্ট সরকার।
watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here