শিমুলিয়ায় ব্যাপক যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

0
45
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে শিমুলিয়া ঘাটেও। উত্তাল পদ্মায় ফেরি ও লঞ্চে পারাপার হচ্ছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে অতিরিক্ত যানবাহন। কিন্তু ফেরি বেশি না থাকায় পারাপারে ঘাটে জট সৃষ্টি হয়েছে। শিমুলিয়ায় বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়, ফেরি কম থাকায় ভোগান্তিতে যাত্রীর

ভোর থেকেই ঘাটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে এ ঘাটে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

লঞ্চঘাটেও মানুষের অস্বাভাবিক ভিড়। সবকিছু ছাপিয়ে একেবারে ফেরির পন্টুনে গিয়ে মোটরসাইকেল জটও দেখা গেছে।
যাত্রীবাহী যানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় পণ্যবাহী ট্রাকের লাইন আরও দীর্ঘ হচ্ছে। শিমুলিয়া বন্দর মাঠে অসংখ্য ট্রাক। ট্রাকগুলো লাইনে দাঁড় করে রাখা হচ্ছে খানবাড়ি পয়েন্ট এলাকায়।
ভিড় এড়াতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোরে ঘাটে পৌঁছলেও পদ্মা পারি দিতে পারছে না অনেকেই। তাই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জট ও বিড়ম্বনা দুটোই বাড়ছে ঘাটে আসা যাত্রীদের।
গোপালগঞ্জগামী মনিরা আক্তার নামে এক নারী বলেন, বাাড়ি ফিরতে সরকার লকডাউন শিথিল করেছে। কিন্তু ফেরি বাড়ানো হয়নি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফেরি পাওয়া যাচ্ছে না। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকিতে স্বাস্থ্যবিধিও মানছেন না অনেকে।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, পদ্মায় প্রবল স্রোত থাকায় তিনটি ফেরি চলতে পারছে না। কিন্তু ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাকি ফেরিগুলো পারাপার করে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। তাই দুই পাড়ে সহস্রাধিক যান পারাপারের অপেক্ষায় আছে।
তিনি আরও জানন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ১৭টির মধ্যে ১৪টি ফেরি সচল আছে। আর এ রুটে ৮৭ লঞ্চের মধ্যে চলাচল করছে ৮২টি লঞ্চ।
লঞ্চগুলো ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহনের বিধান থাকলেও ঠাসাঠাসি করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়।  
watch price in bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here